অসাধারন।পন্ডিতেরা যে ব্যাখ্যাই হাজির করুন ধর্মের নামে যুগে যুগে ভারতের এবং বিশ্বেরও সমস্ত সৃষ্টির মহানায়ক শ্রমিক।শুধুই শ্রমিক শ্রেনী। শিক্ষা তাঁদের অভিজ্ঞতা। প্রকৃতিকে জেনে বুঝে তাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের যে সৃষ্টি তাতে মানুষের মধ্যে কোন জাতি বা লিঙ্গ ভেদের প্রভেদ ছিল না। তাঁরা সেদিনও ছিলেন অনুচ্চারিত, আজও তাই। অপরের শ্রম, উদ্ভাবন শক্তি আত্মস্মাৎ করেই একটা ক্ষুদ্র অংশ শাসক সেজে সব লুঠ করে সে সবের মালিক সেজেছে।আর ভাড়া করা ক্ষুন্নিবৃত্তির চাটুকারদের ঐতিহাসিক সাজিয়ে তা লিপিবদ্ধ করে প্রচারে স্থায়ী করেছে। কার্ল মার্ক্স মূলের এই জায়গাটাতেই আঘাত হেনে চিনিয়েছেন পৃথিবীর মহান রূপকারদের।এবং দাবী করেছেন করতে শিখিয়েছেন "এবং তাই পৃথবীটা বেশী মানুষের। অল্প কজন শাসকের নয়। পুঁজি,শ্রম,সম্পদ,আর মুনাফার বেড়াজালে আবদ্ধ যে মানুষের শ্রম তার মুক্তিই মানুষের প্রকৃত মুক্তি। এবং তাই আজ ও মার্ক্সবাদ অপরাজেয়।
[বন্ধু চন্দ্র শেখর এর কেদার এবং সংলগ্ন মন্দির গুলির বৈজ্ঞানিক অবস্থানের বিবরনের প্রসঙ্গে।
" জানতে চাইলেই জানা যায়।অন্ধতায় নয়"।]
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
বেহালা।কলকাতা ৬০।
২৯ শে মে। ২০২১।