Sunday, May 30, 2021

" জানতে চাইলেই জানা যায়।অন্ধতায় নয়"

অসাধারন।পন্ডিতেরা যে ব্যাখ্যাই হাজির করুন ধর্মের নামে যুগে যুগে ভারতের এবং বিশ্বেরও সমস্ত সৃষ্টির মহানায়ক শ্রমিক।শুধুই শ্রমিক শ্রেনী। শিক্ষা তাঁদের অভিজ্ঞতা। প্রকৃতিকে জেনে বুঝে তাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের যে সৃষ্টি তাতে মানুষের মধ্যে কোন জাতি বা লিঙ্গ ভেদের প্রভেদ ছিল না। তাঁরা সেদিনও ছিলেন অনুচ্চারিত, আজও তাই। অপরের শ্রম, উদ্ভাবন শক্তি আত্মস্মাৎ করেই  একটা ক্ষুদ্র অংশ শাসক সেজে সব লুঠ করে সে সবের মালিক সেজেছে।আর ভাড়া করা ক্ষুন্নিবৃত্তির চাটুকারদের ঐতিহাসিক সাজিয়ে তা লিপিবদ্ধ করে প্রচারে স্থায়ী করেছে। কার্ল মার্ক্স মূলের এই জায়গাটাতেই আঘাত হেনে চিনিয়েছেন পৃথিবীর মহান রূপকারদের।এবং দাবী করেছেন করতে শিখিয়েছেন "এবং তাই পৃথবীটা বেশী মানুষের। অল্প কজন শাসকের নয়। পুঁজি,শ্রম,সম্পদ,আর মুনাফার  বেড়াজালে আবদ্ধ যে মানুষের শ্রম তার মুক্তিই মানুষের প্রকৃত মুক্তি। এবং তাই আজ ও মার্ক্সবাদ অপরাজেয়।
[বন্ধু চন্দ্র শেখর এর কেদার এবং সংলগ্ন মন্দির গুলির বৈজ্ঞানিক অবস্থানের বিবরনের প্রসঙ্গে।
" জানতে চাইলেই জানা যায়।অন্ধতায় নয়"।]
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
বেহালা।কলকাতা ৬০।
২৯ শে মে। ২০২১।

বন্ধু তোমার পথের সাথিকে চিনে নিও- শ্যামল ভট্টাচার্য

একদম সময়োচিত,যথার্থ এবং আত্মবিশ্বাসী পর্যবেক্ষন। তোমার আমার মত সমর্থকদের দায় আছে। লিখিত দায়িত্ব নেই।তবু আমরা সে দায়িত্ব বহন করি আমাদের মতন করে। না করলেও বোধ হয় চলে। এবারের নির্বাচনে বীভৎস ঝিঙ্কু ড্যান্স, সেলিব্রিটির পেশী দেখানো ইত্যাদি আরও অনেক কিছুর উপস্থাপন,এবং পার্টী নেতৃত্বের সে সবের পক্ষে সওয়াল এবং সমর্থন দেখিয়ে দিয়েছে, যেন আধুনিকতায়,চট জলদী চমক বিনোদনে" দিন বদলের পালা" র দিন অস্তমিত। এখন নাকি মানুষ এটাই চান।তাই গোটা নির্বাচনে শুধু নির্দিস্ট দিনে নিজের বা নিজেদের ভোট টুকু দেওয়া ছাড়া আর কোন কাজ ছিল না।এমনকি বহু আগেই নিজেদের উদ্যোগে "ঘন্টা খানেক সঙ্গে শপথ" পথ নাটক নিয়ে পথে নেমেও এবং সর্বস্তরে আবেদন রেখেও নিষ্ক্রিয় করে রাখা হল। আসলে জানি এ সবই  স্বল্প সময়ের মধ্যেই পর পর ঐতিহাসিক ভুলগুলো করার পর দিকভ্রান্ত হওয়ার নজীর।কিন্তু ক্ষতি হল মানুষের।সামনে  আবারও যুদ্ধ। ২০২৪ এ।জানিনা এ যুদ্ধে পার্টীর কৌশল কি? আসলে উনারা করেন।আমরা দেখি।আর যেহেতু বাম মানসিকতাতেই থাকি, তাই মূক শরিক হয়ে জিতলে দু হাত তুল নাচি।আর হারলে হতাশ হয়ে নিজেরাই নিজেদের বলি "জানি এই শুণ্যের কারন গুলির হয়তো কিছুটা।কিন্তু সেতো শুধু নিজেরা নিজেদের জানানো। উনাদের নয়। কেননা আমরা আম জনতা উনাদেরই চাই একথা উনাদের কাছে পৌছনোর উপায় নেই। উনারা আমাদের থেকে দূর। " কাছে থেকে দূর রচার"মধ্যেই বোধ হয় লুকিয়ে ছিল কোন নতুন নক্ষত্রের জন্ম কথা। অতএব প্রশ্ন নয়।অধিকারও নেই।তবুও করলে আছে তকমা " বিরোধী"। আর চুপ থেকে অপ্রতিক্রীত থাকলে " বন্ধু"।আর আমাদের থাকে দৃষ্টি আর পুরানো কথা সুর। তাই গেয়ে বেড়াই "বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিয়ো"। তবুও বলে যাবো বাকি যেটুকু বাঁচি " পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছো?"
[ বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিয়ো।]
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
৩০ শে মে। ২০২১।
বেহালা। কলকাতা ৬০।

স্মরণে কমরেড বিউটি দাস

কত ফুল এভাবেই ঝরে যায় রোজ।
হিসাব কে আর রাখে তার?
যা থাকে তা নিয়েই মেতে থাকি রোজ
মেলে না যাওয়ার উত্তর।
শুনি নারী পুরুষ কত কণ্ঠে শহর থেকে গাঁ
"এই যে শুনুন ----
আমরা বাঁচতে চেয়ে ছিলাম"
একা নয়।সবাই মিলে।সবাইকে নিয়ে। তবু--
কেন একা করে দিলে হায়?
"স্মরনে শ্যামল"
[চলে গেলেন এক কম্যুনিস্ট পরিবারের যোদ্ধা
কমরেড বিউটি দাস] 
"" লাল সেলাম বোন।"