একদম সময়োচিত,যথার্থ এবং আত্মবিশ্বাসী পর্যবেক্ষন। তোমার আমার মত সমর্থকদের দায় আছে। লিখিত দায়িত্ব নেই।তবু আমরা সে দায়িত্ব বহন করি আমাদের মতন করে। না করলেও বোধ হয় চলে। এবারের নির্বাচনে বীভৎস ঝিঙ্কু ড্যান্স, সেলিব্রিটির পেশী দেখানো ইত্যাদি আরও অনেক কিছুর উপস্থাপন,এবং পার্টী নেতৃত্বের সে সবের পক্ষে সওয়াল এবং সমর্থন দেখিয়ে দিয়েছে, যেন আধুনিকতায়,চট জলদী চমক বিনোদনে" দিন বদলের পালা" র দিন অস্তমিত। এখন নাকি মানুষ এটাই চান।তাই গোটা নির্বাচনে শুধু নির্দিস্ট দিনে নিজের বা নিজেদের ভোট টুকু দেওয়া ছাড়া আর কোন কাজ ছিল না।এমনকি বহু আগেই নিজেদের উদ্যোগে "ঘন্টা খানেক সঙ্গে শপথ" পথ নাটক নিয়ে পথে নেমেও এবং সর্বস্তরে আবেদন রেখেও নিষ্ক্রিয় করে রাখা হল। আসলে জানি এ সবই স্বল্প সময়ের মধ্যেই পর পর ঐতিহাসিক ভুলগুলো করার পর দিকভ্রান্ত হওয়ার নজীর।কিন্তু ক্ষতি হল মানুষের।সামনে আবারও যুদ্ধ। ২০২৪ এ।জানিনা এ যুদ্ধে পার্টীর কৌশল কি? আসলে উনারা করেন।আমরা দেখি।আর যেহেতু বাম মানসিকতাতেই থাকি, তাই মূক শরিক হয়ে জিতলে দু হাত তুল নাচি।আর হারলে হতাশ হয়ে নিজেরাই নিজেদের বলি "জানি এই শুণ্যের কারন গুলির হয়তো কিছুটা।কিন্তু সেতো শুধু নিজেরা নিজেদের জানানো। উনাদের নয়। কেননা আমরা আম জনতা উনাদেরই চাই একথা উনাদের কাছে পৌছনোর উপায় নেই। উনারা আমাদের থেকে দূর। " কাছে থেকে দূর রচার"মধ্যেই বোধ হয় লুকিয়ে ছিল কোন নতুন নক্ষত্রের জন্ম কথা। অতএব প্রশ্ন নয়।অধিকারও নেই।তবুও করলে আছে তকমা " বিরোধী"। আর চুপ থেকে অপ্রতিক্রীত থাকলে " বন্ধু"।আর আমাদের থাকে দৃষ্টি আর পুরানো কথা সুর। তাই গেয়ে বেড়াই "বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিয়ো"। তবুও বলে যাবো বাকি যেটুকু বাঁচি " পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছো?"
[ বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিয়ো।]
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
৩০ শে মে। ২০২১।
বেহালা। কলকাতা ৬০।
No comments:
Post a Comment