Tuesday, June 8, 2021

সব জান্তা বাজারী সুশীলরা কি বনবাসে?

আচ্ছা সেই মুখগুলো কোথায়? সেই।যারা মোমবাতি জ্বালিয়ে ফ্লেক্সে মুখ আঁকিয়ে "পরিবর্তন" চেয়েছিল,ভদ্র নম্র রুচীশীল মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেবের সাদা পাঞ্জাবীতে রক্তের দাগ দেগে বামফ্রন্টএর বিকল্প এই বর্বর চোর লুঠেরা হাতে বাংলাকে তুলে দিতে পায়ে হেঁটেছিল, সেই বিভাস চক্রবর্তী মনোজ মিত্র,শাঁওলী মিত্র,রুদ্রপ্রসাদ,অপর্না সেন কৌশিক সেন সুমন মুখার্জীর মত আরো কত আনন্দবাজারী সুশীল বিদ্দ্বজনেরা? দুটো প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে গেল।ধ্বংস হয়ে গেল গোটা শিক্ষা ব্যাবস্থা, বন্ধ্যা হয়ে গেল শিল্প,কৃষি,স্বাস্থ্য,সংস্কৃতি।এরা কোথায়? এরাকি এখন বলাৎকারী ঋতব্রতর কাছে ফ্যাসিবাদের চরিত্রের পাঠ নিচ্ছে? দিন বদলাবেই বদলাবে।কৌশলে বার বার বোকা বানানো যাবে না মানুষকে। মানুষ তাঁদের নিজেদের কথা বলবেনই।নিজেদের রায় নিজেরাই দেবেন। সেদিন এই সব লোভী, স্বার্থপর,বিশ্বাসঘাতকদের (যদি বেঁচে থাকে) রাস্তায় টেনে এনে মানুষ রক্তাক্ত করবেন। তীব্র ঘৃনা আর ক্রোধ যখন সহজাত হয় তখন সেটাই পায় স্বাভাবিকত্ব। সেদিন আসবেই আসবে। এটা মনে রাখুক ঐ বাজারী, পোষা দ্বিপদী চতুষ্পদরা।ক্ষমা নেই।কোন ক্ষমা সেদিন হবে স্বাভাবিকত্বের শত্রু।
[ ধ্বংস হচ্ছে জাতি।জাতির মেরুদন্ড "শিক্ষা"।। ধ্বংস হচ্ছে দেশ।দেশের শিল্প কৃষি শিক্ষা স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য।অথচ সব জান্তা বাজারী সুশীলরা বনবাসে? সাবধান।দিন আসবেই আসবে।এটাই মার্ক্সবাদ।]
৭ ই জুন। ২০২১।
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।

ভাল কম্যুনিস্ট খারাপ কম্যুনিস্ট?হয়?

সুব্রত এক ই মশলা কি সব পাকে লাগে? নিজেই পড়ে দেখ। আমার প্রশ্ন।বিশ্ব ইতিহাসে কম্যুনিস্টদের এই বাধাও পেরোতে হয়েছে। বুদ্ধিজীবীরা ছুরি নিয়ে কম্যুনিস্ট খুনে মেতেছে এ নজীরও আছে। আমার প্রশ্ন ছিল ভিন্ন। নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে রেখে বিরোধিতা করা আর সরকারকে শক্তিশালী করা একই। কাজ করলে ভুল হবে। ঠিকও হবে। বরং অপন্ডিতি ভাষায় বলা যায় "ঠিক" টায় পৌছতে বহু "ভুল" ও পেরোতে হয়। ভুলগুলোকে যাঁরা প্রকট করে প্রচার করেন, করেন বিশেষ উদ্দেশ্যেই।এবং সে উদ্দেশ্য র প্রথম এবং প্রধান কাজ ১) কম্যুনিস্ট তথা বাম নেতৃত্বের(ভাম নয়) "ঠিক কাজ গুলোকে ফিকে করে দেওয়া,।অতি সাধারন করে দেওয়া।২) মানুষের স্মৃতি থেকে বামদের (এই সংবিধানের মধ্যে থেকেও)  জনমুখী ঐতিহাসিক সাফল্যগুলোকে সরিয়ে দেওয়া
৩) বাম নেতৃত্বের মধ্যে ভগবান আর দানব তৈরী করে  এবং কুৎসিত প্রচারে তাকে ব্যাপ্ত করে কম্যুনিস্ট পার্টীর শৃঙখলাকে প্রশ্নের সামনে নিয়ে আসা। যা অবান্তর কিন্তু বাজারী। কমরেড জ্যোতি বসুই তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।  
এবং এসবই করা হয় কম্যুনিস্ট মতাদর্শের প্রসারে এবং প্রচারে মার্ক্সের জামা পরেই।
আরও বিস্তৃত আলোচনার অবকাশ আছে। তবে পার্টী যখন উদবিগ্ন এবং স্বাভাবিক কারনেই দেশ এবং রাজ্য নিয়ে।দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে, নিরাপত্তা দেশের স্বাধীনতার সংবিধানের, মানুষের রুটী রুজি শিক্ষা স্বাস্থ নিয়ে তখন পার্টীকে সংহত করে তুলতে হলে মানুষের পক্ষে তাঁদের কাজ, সংবিধানের প্রয়োগ,এবং ধর্মীয় ফ্যাসীবাদের বিরুদ্ধে গনতান্ত্রিক সংগ্রামকে সংগঠিত করতে নিজেদের ছোট্ট কিন্তু প্রয়োজনীয় ভূমিকা গ্রহন করে মানুষকে বিজয়ে বিশ্বাসী করে তোলাই প্রকৃত কম্যুনিস্ট মতাদর্শীদের প্রাথমিক কর্তব্য। লক্ষ্য করছি নির্বাচনের ফলাফল টাকেই নির্নায়ক করে পার্টীকে পার্টী শুন্য করার একটা প্রবনতার প্রসার ঘটাতে বোরখা ধারী কিছু প্রতিক্রিয়াশীল জমা হচ্ছে।নজর রাখছি। জানি তোমার আদর্শের প্রতি প্রেম হয়তো তোমাকে ক্ষুব্ধ করেছে। কিন্তু সুব্রত আবেগকে বুদ্ধি দিয়ে পরিচালনা যেমন বড় স্রস্টার কাজ ঠিক তেমন ই কম্যুনিস্ট ভাবাদর্শে বিশ্বাসীদেরও কাজ।। আবেগেই " বাম" ভাম হয়। যাতে না হয় তার জন্য সতর্কতাই বোধ হয় শিক্ষা। দেখা হলে কোথাও কথা হবে। ভাল থেকো।
[ ভাল কম্যুনিস্ট খারাপ কম্যুনিস্ট?হয়?]
বন্ধু সুব্রত কাঞ্জিলালের মন্তব্যের প্রেক্ষাপতে]
 শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা। 
৮ ই জুন। ২০২১।

Monday, June 7, 2021

আবেদন সমর্থকদের প্রতি

বিশ্বরূপ, বাড়ীর বয়স্কদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে কি বাড়ীর কর্তা বনা যায়? কোথা থেকে শিখলেন এই অসভ্যতা? কি জানেন পার্টীর এই নিবেদিত প্রান কমরেডদের জীবনের ত্যাগ তিতিক্ষার ইতিহাস? কি জানেন এঁদের ওপর শাসকের সন্ত্রাস নির্যাতনের কাহিনী?জানেন কি এঁরা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত জীবনে এবং পারিবারিক ঐতিহ্যে শীর্ষস্থানীয়।কিন্তু তবু মানুষের সংগ্রামে সাথী হতে মার্ক্সবাদে দীক্ষিত এই বর্তমানের বয়স্ক নেতৃত্ব নিজেদের যৌবনকে বলি দিয়েছেন বহু বহু তরুন যৌবন আর তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত তৈরী করতে। দেশকে শৃঙখল মুক্ত করে প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ এনে দিতে। একজন কমরেড মানে জনগনের এগিয়ে থাকা অংশের একজন। এই এগিয়ে আসতে তাঁদের প্রত্যেককে আসতে হয়েছে কঠিন অগ্নি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। পার্টী কোন গেষ্ট হাউস নয় যে যে কেউ আস্তে পারে,থাকতে পারে,আবার স্ব ইচ্ছায় চলে যেতে পারে। এটা একটা বিপ্লবের আখড়া এখানে নতুন প্রজন্ম তৈরী হয় পুরোন কমরেডদের হাত ধরে পার্টী এবং সামাজিক শিক্ষার মধ্য দিয়ে। এটা কম্যুনিস্ট পার্টী। এই পার্টীতে বাচালতা অসভ্যতা,অশ্লীলতা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। জানিনা আপনি কোথায় কোন স্তরে আদৌ পার্টীর কোন অংশের সাথে সভ্য বা সমর্থক হিসেবে যুক্ত কি না? শুধু জেনে রাখুন এই পার্টীর একজন সাধারন সমর্থক হতে গেলেও তাঁকে অলিখিত ভাবেই এইসব স্বেচ্ছা  অনুশাসনের অনুগত হতে হয়। আর তাই এই পার্টীতে সভ্যদের সাথে সাথে সমর্থকদেরও গুরুত্ব আর সম্মান থাকে। সে সম্মান রক্ষা করার দায়িত্ব যার যার নিজের। ফারাক এই যে এই অনুশাসন ভাঙলে সভ্য সভ্যা তাঁরা যে স্তরেরই হন না কেন হন "বহিষ্কৃত"।আর সমর্থকদের বহিষ্কার সমর্থকরা নিজেরাই করেন। বহিষ্কৃত সদস্যের ফিরে আসার সুযোগ আছে নিজের শুদ্ধিকরন ঘটিয়ে।কিন্তু স্ব বহিষ্কৃত সমর্থক আর সে সুযোগ পান না।কারন একমাত্র পার্টীর ঘোষিত কর্মসূচীতে নিয়ত অংশ গ্রহনের মাধ্যমেই বহিষ্কৃত সভ্যরা আবেদন করে ফেরার সুযোগ পান। স্বঘোষিত সমর্থকেরও সে সুযোগ থাকে। কিন্তু তফাত হয়ে যায় আগ্রহে আর যাপনে। পারলে নিজেকে  চিহ্নিত করুন।নইলে সোস্যাল মাধ্যমকে ময়লা কগজের পরিত্যক্ত বাক্স তৈরী করবেন না। এই আবেদন সমস্ত সমর্থকদের৷ জন্য।
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ।বেহালা।
৭ ই জুন।২০৮১।
[আবেদন সমর্থকদের প্রতি]

Saturday, June 5, 2021

এ পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় আতঙ্কের শেষ কোথায়?

অনেক অনেক অনেকটাএগিয়ে গেছে এই প্রথম পছন্দ বিচ্ছিন্নতা এবং আতঙ্ক। (সুত্র -মৈনাক সেনগুপ্ত। বিশিষ্ট নাট্য ও সমাজ কর্মী)
 অনেক অনেক টা। অনেক অনেক দেরী করে ফেলেছি বোধ হয় আমরা এই ভয়ানক আক্রমনের বিরুদ্ধে মানুষকে সজাগ এবং সক্রিয় করে তুলতে। শিক্ষালয়,পরীক্ষা ব্যবস্থ্যা,খেলাধুলো শরীর চর্চা,থিয়েটার,সিনেমা,প্রত্যক্ষ সেমিনার,আলোচনা সভা কবিতা পাঠ সব বন্ধ করে মানুষের মস্তিষ্কে ওরা এই আতঙ্ক প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। সাথ দিয়েছে  দালাল বানিয়া অসভ্য, দেশের এবং মনুষ্য জাতির কলঙ্ক "মিডিয়া"। "মরনটাই যেন সত্যি " প্রচার করে। তাই অভিভাবকরাও চাইছেন না স্কুল কলেজ খুলুক। বাজার হাট বসুক স্বাভাবিক ভাবে। আমাদের যাপনেও আমরা "ভয় নেই ভয় নেই" বলেও ওই আতঙ্ককেই বয়ে বেড়িয়েছি। বেড়াচ্ছি। কারন পেছটান। আতঙ্কটা আজ মস্তিষ্ক সমাজের। দেহ গুলো অপারগ।  এটা যে বহু পরিকল্পিত বয়ে আনা আতঙ্ক,রাজনৈতিক আতঙ্ক এই সত্যটা কোথাও যাপনে বা প্রচারে বামপন্থীদেরও ভূমিকা আকর্ষনীয় নয়।আজ শ্মশান জনপদে শুধু "ছিলাম" এর আওয়াজ। "এই তো আছি"  সেই সদর্ভ  উপস্থিতি যেন আজ রূপকথা। এরই মাঝে পার্টীর নেতৃত্বে "রেড ভলান্টিয়ার্স রা " একটা নতুন ভাষা।নতুন রূপ।দাঙ্গা মহামারীর সময়ে অবিভক্ত কম্যুনিস্ট পার্টীর মানুষকে বাঁচানোর এবং মানুষের মধ্যে কম্যুনিস্ট পার্টীকে বাঁচিয়ে রাখার যে একদা অধ্যায় বলা যায় রেড ভলান্টিয়ার্স  তার পুনঃস্থাপন।অবশ্যই  যথোপযুক্ত।কিন্তু আক্রান্ত মস্তিষ্ক কে সম্পূর্ন নিরাময় করতে নয়। তবে পথ কি? জানি না। তবে মানি অবাধ্যতার ঢেউ,বাধা ভাঙার দুর্জয় সাহস ও গাঢ় অন্ধকারের প্রাচীরে ছিদ্র চেনায়। দেখায় ওপাড়ে আলো নিশ্চয়।
[এ পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় আতঙ্কের শেষ কোথায়? 
বিচ্ছিন্নতায়,বন্দী জীবনে? না মুক্তির লক্ষ্যে অবাধ্যতার ঢেউ তোলা? ভাবছেন কি কেউ? কেউ?] 
  শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
৫ ই জুন।শনিবার। দুপুর আড়াইটে। ২০২১।

মাননীয়া যশোধরা বাগচি,রেড ভলান্টিয়ার্স, এবং ঘন্টা সুমন প্রসঙ্গে

 "আমাদের ছেলে এবিপি তে দারুন বলেছে" বলে এত উদবাহু নৃত্য করি কেন? ঘৃনার সঙ্গে প্রত্যাখ্যানের সাহসও তো দেখিনা। দেখিনা কারন আমাদের কোন বিকল্প নেই। অথচ আমার বিশ্বাস এ বিকল্প বামেদের সহজাত। অ ব্যাবহারে তার নির্ভরশীলতা প্রশ্ন সাপেক্ষ। কিন্তু ছিল। তখনও মিডিয়া ছিল না আমাদের। ফারাক হল, কম্যুনিস্টরা মানুষের মাধ্যমেই বৃহত্তর মানুষে পৌছাতেন। তাই জনসংযোগ ছিল পাহাড়ের মত সু উচ্চ। বৃক্ষের মত প্রথিত। আর এখন? বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে " মিডিয়া  নির্ভরতায় ভুগি, যেখানে মানুষের উত্তাপ  ওম থাকে দূরে।বহু দূরে। তাই বাষ্পায়িত হন তারা।তপ্ত না। যেমন পার্থক্য থিয়েটার আর সিনেমার মধ্যে। থিয়েটারের মানুষ থাকেন নিত্য ছোঁয়া।আর সিনেমার টা বায়বীয়। তাই থিয়েটারের মানুষ যত সহজ যত সহজ বোধগম্য সিনেমার তা নয়। একজন অভিনেতা হিসেবে ক্রমাগত তিনটে মাধ্যমে কাজ করে এই সত্য উপলব্ধিতে  আমি নির্দ্বিধ। সিনেমায় লোককে মানুষ ভাবেন দূরের রূপকথার কেউ।কিন্তু থিয়েটারের মানুষটা নিত্য। প্রচারেও দেখেছি "সেলিব্রিটি " র পোশাকে এই দূরের সাজানো মানুষজন নিয়ে ইদানীং রাজনৈতিক দলগুলোর নক্কারজনক হ্যাঁঙলামী। আর তাই দালাল মিডিয়া সুযোগ পায় আমাদের দেওয়ালে ছিদ্র তৈরী করতে। অধুনা কমরেড তন্ময় এর মত পোড় খাওয়া নেতা তার প্রমান। শত্রু নির্বাচিত হলে চরমতম ঘৃনাই তার প্রাপ্য। নচেত ঐ" আমার যেমন বেণী তেমনি রবে চুল ভেজাবো না"র মত দুর্বল  দীঘি ওরা নয়। বছরে একটা দুটো ওতে ডোবেই।পার্টীর লাইফ বেল্টেও বাঁচে না।তাই বলি আগে নিজেদের শানিত করি বরং। পরে তর্জনী তোলা যাবেখন। ওরা থাকবে না। থাকবেন কম্যুনিস্ট রাই। এবং শুধুই কম্যুনিস্ট পার্টী তা সে যে নামেই হোক।আমি নিশ্চিত।
[ মাননীয়া যশোধরা বাগচি,রেড ভলান্টিয়ার্স, এবং ঘন্টা সুমন প্রসঙ্গে]
শ্যামল।শপথ।কলকাতা।

Friday, June 4, 2021

সাবধান। থার্ড ওয়েভ আসছে

আলেয়ার পেছনে ছুটিনিতো আমরা? মিডিয়ার ক্রমাগত প্রচারে যে বাইনারী খেলা, তথাকথিত লিবারেল দের সঙ্গে নিয়ে যে নির্বাচন পর্ব সমাপ্ত হল রাস্ত্রের প্রত্যক্ষ মদতে(নির্বাচন কমিশন,প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে) এবং যার ফলাফল "বাম শূন্য"। প্রচারী লক্ষ্য বি.জে.পি.ঠেকাতে তৃনমুলকে সরকারে আনো,তাতে ওরা সফল।পাশাপাশি বামেরা দিতে চেয়েছিলেন একটা প্রকৃত গনতান্ত্রিক বিকল্প। কিন্তু মানুষের আতঙ্ককে অতিক্রম করা যায় নি।আর এই আতঙ্কর প্রধান দুটি হাতিয়ার ১)পরিকল্পিত করোনা আর ২) ধর্মীয় বিভাজন(এবং তাই এন আর সি।)। এরই ফল বি.জে.পি.র ৭৮ টি আসন। এবং এই আটাত্তরটী আসনই বেনামে তৃনমূলের।অথবা তৃনমূল প্রভাবিত। মমতা দেবীর নিজের উক্তি" বেশী করে আসন দিন।নচেত বেইমানরা জিতে গেলে বি.জে.পি.র হয়ে যাবে।" বাজারেও খবর ছিল এমন সম্ভাব্য বহু প্রার্থী যাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশী তারা কোটী কোটী টাকার দাদন নিয়ে বসে আছে। শর্ত "হারলে ফেরত নয়।জিতলে বি.জে.পি.তে"। সরকার গড়ার কাছাকাছি থাকলে হয়তো এতদিনে খেলাটা শুরু হয়ে যেত।তাই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এটাকে জিইয়ে রেখে মৃত্যুকে নিশ্চিত করতে এলোমেলো  চিকিৎসা ব্যাবস্থা। বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর ফলাও প্রচারে মানুষের আতঙ্ক হবে আরো গভীর।এ আতঙ্ক মস্তিষ্কে প্রবেশ করাতে পারলেই মানুষ বেশ অনেকদিন ধরে স্ব ইচ্ছায় থাকবেন এবং থাকতে বাধ্য করবেন " বিচ্ছিন্ন" একে অপরের থেকে। আর বিচ্ছিন্নতার মস্তিষ্কে "জোটের বার্তা" পৌছয় না।মানুষ থাকবেন বিভ্রান্ত।অগছালো।আর এই সুযোগেই আবারো আতঙ্ক তৈরী করতে হাতিয়ার করো ১)করোনা  আর দুই) এন আর সি। তাই আসছে তৃতীয় ঢেউ। অনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী এতদিনে জেনে গেছেন,বুঝে গেছেন ধর্মীয় ফ্যাসীবাদের চাওয়া "বাম শুন্য বিধান সভা" আসলে আর এস এস আর মিডিয়ার তৈরী "জতুগৃহ"। এ জতুগৃহে তিনি একজন পরাজিত সেনাপতি। তাই চলছে বিভিন্ন খাতে ওপর মহলের ভর্তুকি। কারন তাঁকে যে ভাবে হোক নির্বাচিত হতেই হবে। আর বি.জে.পি.তার রাস্ত্রীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী শিকারী বাঘের মত এগোতে চাইছে বাংলাকে গ্রাস করতে। তাই করোনার ঘোষিত তৃতীয় ঢেউ  ৬ই নভেম্বরের মধ্যে ৬টী কেন্দ্রে নির্বাচনের অন্তরায় হলেও আশ্চর্য  হবার নয়। কারন রাষ্ট্রপতি থেকে উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশন, দালাল মিডিয়াকুল,এমন কি মানবাধিকার কমিশন টা পর্যন্ত আজ আর এস এস দের প্রতিনিধি দ্বারা চালিত। তাই একটা ভয়ানক নাগপুরী প্যাঁচের সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়া যায় কি? আর নির্বাচনটীর দিন অতিক্রান্ত হলে দাদন নেওয়া গুপ্ত ঘাতকরা নিজেদের প্রকাশ্য করতে আর অপেক্ষা করবে না। ফলে ছলে বলে কৌশলে বাংলা দখল একেবারে অসম্ভব কি?  বাম শুন্যর খেলায় বাংলার মানুষের জন্য পথে রক্ত ঝরাবেন সেই বামেরাই। নব্য বিপ্লবীরা তখন হয়তো মার্ক্সবাদী জামা পরে কম্যুনিস্টদের প্রয়োজনীয় উদারতার সুযোগ নিয়ে সেই জন বিস্ফোরনকে ছুরি মারতে আবারও ভীড়ে থাকবে বাম দুর্গে পুততুন্ডু ভটতাচার্যদের মত আর কত নামে কত পরিচ্ছদে। কিন্তু বাংলা তথা ভারতের এই ভয়ানক বিপদকে তারাও এড়াতে পারবে না।তারা শেষ হবে হয় জনতার রোষানলে আর নয়তো ধর্মীয় ফ্যাসীবাদেরই হাতে। এটা বুঝতে তাত্ত্বিকতার দরকার নেই। গেঁয়ো অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট।" কাজের সময় কাজী। কাজ ফুরোলেই গামছা কাঁধে কিষানজী।"এ প্রবাদ তৃনমূল আর লিবারেল দুজনের ক্ষেত্রেই অবধারিত। রইল পড়ে ব্যাপক জনতা আর কম্যুনিস্ট পার্টী।পরবর্তী অধ্যায় রচনা করবেন যাঁরা।করবেনই।করতেই হবে।কারন মানুষ কখনও নিরাশ্রিত থাকেন না। জঙ্গলে থাকলেও বটবৃক্ষ খুঁজে নেন।  এর ই নাম দ্বান্দিক প্রগতি।[ সাবধান।  থার্ড ওয়েভ আসছে]শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।৩রা জুন। ২০২১।বেহালা। কলকাতা।

Wednesday, June 2, 2021

বিকল্পের সন্ধানে

জোট টাকে নিশ্চিত করুক। জোটকে শিক্ষিতও করুক। শেষ পর্যন্ত  জোট টার লক্ষ্য,চরিত্র আর প্রচার নিবিড় হোক। এই ভয়ানক যুদ্ধে ওদের শক্তি কমানোটাই মূল লক্ষ্য। আমাদের নিজস্ব শক্তির বৃদ্ধিতো নিরলস কর্মসূচী। কিন্তু সংগঠন আর যুদ্ধ বিশেষত বয়ে আনা বা চাপিয়ে দেওয়া যে কোন যুদ্ধই আর তা যখন শিয়রে তখন নিজেদের সংগঠনের সাথে সাথেই নিজেদের শক্তির সঠিক হিসাব করেই ওদের দুর্বল করাটাই জোটের কৌশল এবং সুনিপুন হাতে তা ব্যবহার করাটাই সংগঠনের কাজ। আমাদের সময় কম। দায়িত্ব বেশী। তাই অহেতুক হতাশার প্রকাশে নেতৃত্বকে আক্রমন মোটেও সুস্থতা নয়। আমাদের  আমাদের নিষ্ঠাটুকু বজায় রেখে সেবা দিয়ে প্রতিবাদ দিয়ে,প্রয়োজনে স্থান বিশেষে সক্রিয় এমনকি চরম প্রতিরোধ দিয়েই মানুষের আস্থা জাগাতে হবে। বিশ্বাস জাগাতে হবেই সর্বভারতীয় বিকল্পের। কেরালা শুরু করেছেন। বাংলা, ত্রিপুরা অপেক্ষায়। চলুন বন্ধু এক এক করে কাজ নির্দিষ্ট করে পথে নামি। কোমলে কঠোরে আমরাই পারি মানুষকে আপাত বিকল্প দেখাতে।এবং শেষ মেষ মহা বিকল্প।ইন কিলাব।জিন্দাবাদ।
[ বিকল্পের সন্ধানে] 
শ্যামল ভট্টাচার্য।শপথ। কলকাতা। 
২ রা জুন। ২০২১।

Tuesday, June 1, 2021

চলে গেলেন আমার অচেনা কিন্তু গোটা বীরভূমের চেনা, দক্ষ ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার, প্রসিদ্ধ গায়ক,মেতে থাকা নাট্য পরিচালক।গ্রামের আটচালায় পাঠশালা বসানো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নে বিভোর৷ নাটকের পটূয়া মাননীয় অশোক। বাবু নয়। দা।দাদা।অশোকদা।-শপথের শ্রদ্ধার্ঘ

অনামী প্রতিমা শিল্পী এমন বহু আছেন সারা বাংলায় যাঁরা শহুরে ভাষায় 'স্যার"হন না। কিন্তু থেকে যান থিয়েটারের আটচালাতেই  পাঠশালার রেওয়াজে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার স্বপ্নে নিবিড়ভাবে তুলি ধরে চক্ষুদানে। সমবেদনা জানাই বন্ধুকে, ছাত্রদের,এবং উনার স্বজনদের। না আমার সাথে কোন পরিচয় ছিল না। নামও শুনি নি কোথাও। আসলে চেনা  শোনার জগৎ টাইতো সংকীর্ণ  বহু।মজে থাকি আত্ম প্রচারে।কিন্তু যে গাছ ফল দেয় সে তো নিজের পরিচিতি রেখেই যায়। ফল থেকে বীজ হয়। বীজ থেকে আবার বৃক্ষ। তাই পাঠশালা বিশ্ববিদ্যালয়ের  ক্ষয় নেই। ওটাই থিয়েটার এর স্থপতি। নমস্কার নেবেন৷
[ চলে গেলেন আমার অচেনা কিন্তু গোটা বীরভূমের  চেনা, দক্ষ ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার, প্রসিদ্ধ গায়ক,মেতে থাকা নাট্য পরিচালক।গ্রামের আটচালায় পাঠশালা বসানো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নে বিভোর৷ নাটকের পটূয়া মাননীয় অশোক। বাবু নয়। দা।দাদা।অশোকদা। শপথের শ্রদ্ধার্ঘ।] 
শ্যামল ভট্টাচার্য।শপথ। কলকাতা। 
১ লা জুন ২০২১।

রাজনৈতিক জোট না নামের জোট?জোট অপরিহার্য না

যুদ্ধ বাকি। পথও দীর্ঘ।নেতৃত্বকে দায়ী করে করে ক্ষত বিক্ষত করার আগে নিজেদেরও ক্ষত বিক্ষত করি আসুন। পার্টী সিদ্ধান্ত্ব যখন জরুরী প্রয়োজনে এখনি জোট (যে নামেই হোক তা) তখন তা কার্যকরী করতে আমি আমরা আমাদের এলাকায় কতটা সরব থেকেছি। পার্টীকে প্রশ্ন করার সময় আছে। বিরোধিতা করারও।কিন্তু যুদ্ধের সময় সেনাধ্যক্ষের আদেশ বা নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করাই প্রত্যেক্টা সৈনিকের অবশ্য কর্তব্য। তা কি আমরা সবাই দ্বিধাহীন  ভাবে মেনেছি? কোরেছি? এবার সময় আছে আলোচনার। আমি একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে এই দেওয়ালেই সে বিষয় উত্থাপন করেছি।অংশীর সংখ্যা বাড়লে পার্টীর উপকার হবে।আর পার্টী  কোন ব্যক্তি নয়। পার্টীটা আমাদেরই পরিবার।আমাদের হাতে শ্রমে স্বপ্নে গড়া একটা নিটোল আশ্রয়। এই আশ্রয়টা যত শক্তিশালী হবে ততই নিশছিদ্র হবে আমাদের সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের সব রকমের নিরাপত্তা।নিরাপত্তা স্বাস্থ্যের,শিক্ষার,কর্মের,নারী
মুক্তির, শিল্পের,কৃষির সংস্কৃতির, নিরাপত্তা দেশের। দেশের অধিকাংশ মানুষের। তাই আসুন। হাত বাড়ান।
[ রাজনৈতিক জোট না নামের জোট?
জোট অপরিহার্য না

প্রতিরোধের মূহুর্তেই চেনা যায়, বন্ধু পাড়া পড়শী, প্রতিবেশীদের-তত্ত্বে কিংবা বকবকানিতে নয়

বাড়িতে আগুন। অপেক্ষা নির্দেশের? আঘাত থেকেইতো প্রত্যাঘাত।আঘাত কে সইতে হলে প্রত্যাঘাত ও স্বাভাবিক। এ তো বিজ্ঞানের শর্ত। এর আবার "ডাক" লাগে নাকি? শর্ত্তগুলোকে একজোট করে বিস্ফোরণের আকার দেওয়া সংগঠনের কাজ। অবহেলা করলে বা অনুধাবন করতে না পারলেই ঘটে যায় নিজেদের সামর্থ মতই। সেটাও কম নয়। কিন্তু সমগ্র নয়।  পরে যাঁরা নিজেদের বিদ্বান বা শিক্ষিত ভেবে ভূয়ো গর্বে খানিক পাঁচ সাত বক বক করি ",কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল,কোনটা সন্ত্রাস,কোনটা প্রতিরোধ বা কোনটা প্রতিরোধের নামে সন্ত্রাস আর কোনটা সন্ত্রাসের মাধ্যমেই প্রতিরোধ" তাতে আক্রান্তদের কোন সুরাহা হয় না।বস্তুতঃ তাঁরা এসব কূটকচালীর বিশেষ মূল্যও দেন না। কারন তাঁরা অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝেন যা করনীয়, যা না করলে তাঁদের সন্তান সন্ততিদের রক্ষা করা যেত না, ঠিক সেটুকুই তাঁরা করেছেন। বেশ করেছেন। আবারও প্রয়োজন পড়লে আবারও করবেন। " উনাদের কাছে দেশী টোটকাই শিক্ষা।"লোহা গরম হলেই হাতুরির ঘা মারো।বানিয়ে নাও তোমার অস্ত্র।"।এটাই শাশ্বত। এভাবে এপথেই মানুষের অগ্রগতি।রূপান্তর। মানি আর নাই মানি,এই শ্রেনী ব্যাবস্থায় আঘাত আসবেই। আর প্রত্যঘাতও ঘটবে বার বার।বার বার। আমি স্বাগত জানাই সে প্রত্যাঘাত কে। কবিগুরুর শান্তিনিকেতন ও আজ আক্রান্ত।তাই প্রয়োজন প্রত্যাঘাত।আর এই প্রত্যাঘাত থেকে মুখ ঘুরিয়ে যাঁরা তত্ত্বর আড়ালে মুখ লুকিয়ে বুদ্ধিজীবি সাজবেন তাঁদের কবিই বলে গেছেন,"ওরে ভীরু।তোমার হাতে নাই ভুবনের ভার।ওরে ভীরু।"।
[প্রতিরোধের মূহুর্তেই চেনা যায়, বন্ধু পাড়া পড়শী, প্রতিবেশীদের। তত্ত্বে কিংবা বকবকানিতে নয়]
 ১লা জুন ২০২১। বেহালা। কলকাতা ৬০।
শ্যামল ভোট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।