বাড়িতে আগুন। অপেক্ষা নির্দেশের? আঘাত থেকেইতো প্রত্যাঘাত।আঘাত কে সইতে হলে প্রত্যাঘাত ও স্বাভাবিক। এ তো বিজ্ঞানের শর্ত। এর আবার "ডাক" লাগে নাকি? শর্ত্তগুলোকে একজোট করে বিস্ফোরণের আকার দেওয়া সংগঠনের কাজ। অবহেলা করলে বা অনুধাবন করতে না পারলেই ঘটে যায় নিজেদের সামর্থ মতই। সেটাও কম নয়। কিন্তু সমগ্র নয়। পরে যাঁরা নিজেদের বিদ্বান বা শিক্ষিত ভেবে ভূয়ো গর্বে খানিক পাঁচ সাত বক বক করি ",কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল,কোনটা সন্ত্রাস,কোনটা প্রতিরোধ বা কোনটা প্রতিরোধের নামে সন্ত্রাস আর কোনটা সন্ত্রাসের মাধ্যমেই প্রতিরোধ" তাতে আক্রান্তদের কোন সুরাহা হয় না।বস্তুতঃ তাঁরা এসব কূটকচালীর বিশেষ মূল্যও দেন না। কারন তাঁরা অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝেন যা করনীয়, যা না করলে তাঁদের সন্তান সন্ততিদের রক্ষা করা যেত না, ঠিক সেটুকুই তাঁরা করেছেন। বেশ করেছেন। আবারও প্রয়োজন পড়লে আবারও করবেন। " উনাদের কাছে দেশী টোটকাই শিক্ষা।"লোহা গরম হলেই হাতুরির ঘা মারো।বানিয়ে নাও তোমার অস্ত্র।"।এটাই শাশ্বত। এভাবে এপথেই মানুষের অগ্রগতি।রূপান্তর। মানি আর নাই মানি,এই শ্রেনী ব্যাবস্থায় আঘাত আসবেই। আর প্রত্যঘাতও ঘটবে বার বার।বার বার। আমি স্বাগত জানাই সে প্রত্যাঘাত কে। কবিগুরুর শান্তিনিকেতন ও আজ আক্রান্ত।তাই প্রয়োজন প্রত্যাঘাত।আর এই প্রত্যাঘাত থেকে মুখ ঘুরিয়ে যাঁরা তত্ত্বর আড়ালে মুখ লুকিয়ে বুদ্ধিজীবি সাজবেন তাঁদের কবিই বলে গেছেন,"ওরে ভীরু।তোমার হাতে নাই ভুবনের ভার।ওরে ভীরু।"।
[প্রতিরোধের মূহুর্তেই চেনা যায়, বন্ধু পাড়া পড়শী, প্রতিবেশীদের। তত্ত্বে কিংবা বকবকানিতে নয়]
১লা জুন ২০২১। বেহালা। কলকাতা ৬০।
শ্যামল ভোট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
No comments:
Post a Comment