Friday, June 4, 2021
সাবধান। থার্ড ওয়েভ আসছে
আলেয়ার পেছনে ছুটিনিতো আমরা? মিডিয়ার ক্রমাগত প্রচারে যে বাইনারী খেলা, তথাকথিত লিবারেল দের সঙ্গে নিয়ে যে নির্বাচন পর্ব সমাপ্ত হল রাস্ত্রের প্রত্যক্ষ মদতে(নির্বাচন কমিশন,প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে) এবং যার ফলাফল "বাম শূন্য"। প্রচারী লক্ষ্য বি.জে.পি.ঠেকাতে তৃনমুলকে সরকারে আনো,তাতে ওরা সফল।পাশাপাশি বামেরা দিতে চেয়েছিলেন একটা প্রকৃত গনতান্ত্রিক বিকল্প। কিন্তু মানুষের আতঙ্ককে অতিক্রম করা যায় নি।আর এই আতঙ্কর প্রধান দুটি হাতিয়ার ১)পরিকল্পিত করোনা আর ২) ধর্মীয় বিভাজন(এবং তাই এন আর সি।)। এরই ফল বি.জে.পি.র ৭৮ টি আসন। এবং এই আটাত্তরটী আসনই বেনামে তৃনমূলের।অথবা তৃনমূল প্রভাবিত। মমতা দেবীর নিজের উক্তি" বেশী করে আসন দিন।নচেত বেইমানরা জিতে গেলে বি.জে.পি.র হয়ে যাবে।" বাজারেও খবর ছিল এমন সম্ভাব্য বহু প্রার্থী যাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশী তারা কোটী কোটী টাকার দাদন নিয়ে বসে আছে। শর্ত "হারলে ফেরত নয়।জিতলে বি.জে.পি.তে"। সরকার গড়ার কাছাকাছি থাকলে হয়তো এতদিনে খেলাটা শুরু হয়ে যেত।তাই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এটাকে জিইয়ে রেখে মৃত্যুকে নিশ্চিত করতে এলোমেলো চিকিৎসা ব্যাবস্থা। বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর ফলাও প্রচারে মানুষের আতঙ্ক হবে আরো গভীর।এ আতঙ্ক মস্তিষ্কে প্রবেশ করাতে পারলেই মানুষ বেশ অনেকদিন ধরে স্ব ইচ্ছায় থাকবেন এবং থাকতে বাধ্য করবেন " বিচ্ছিন্ন" একে অপরের থেকে। আর বিচ্ছিন্নতার মস্তিষ্কে "জোটের বার্তা" পৌছয় না।মানুষ থাকবেন বিভ্রান্ত।অগছালো।আর এই সুযোগেই আবারো আতঙ্ক তৈরী করতে হাতিয়ার করো ১)করোনা আর দুই) এন আর সি। তাই আসছে তৃতীয় ঢেউ। অনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী এতদিনে জেনে গেছেন,বুঝে গেছেন ধর্মীয় ফ্যাসীবাদের চাওয়া "বাম শুন্য বিধান সভা" আসলে আর এস এস আর মিডিয়ার তৈরী "জতুগৃহ"। এ জতুগৃহে তিনি একজন পরাজিত সেনাপতি। তাই চলছে বিভিন্ন খাতে ওপর মহলের ভর্তুকি। কারন তাঁকে যে ভাবে হোক নির্বাচিত হতেই হবে। আর বি.জে.পি.তার রাস্ত্রীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী শিকারী বাঘের মত এগোতে চাইছে বাংলাকে গ্রাস করতে। তাই করোনার ঘোষিত তৃতীয় ঢেউ ৬ই নভেম্বরের মধ্যে ৬টী কেন্দ্রে নির্বাচনের অন্তরায় হলেও আশ্চর্য হবার নয়। কারন রাষ্ট্রপতি থেকে উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশন, দালাল মিডিয়াকুল,এমন কি মানবাধিকার কমিশন টা পর্যন্ত আজ আর এস এস দের প্রতিনিধি দ্বারা চালিত। তাই একটা ভয়ানক নাগপুরী প্যাঁচের সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়া যায় কি? আর নির্বাচনটীর দিন অতিক্রান্ত হলে দাদন নেওয়া গুপ্ত ঘাতকরা নিজেদের প্রকাশ্য করতে আর অপেক্ষা করবে না। ফলে ছলে বলে কৌশলে বাংলা দখল একেবারে অসম্ভব কি? বাম শুন্যর খেলায় বাংলার মানুষের জন্য পথে রক্ত ঝরাবেন সেই বামেরাই। নব্য বিপ্লবীরা তখন হয়তো মার্ক্সবাদী জামা পরে কম্যুনিস্টদের প্রয়োজনীয় উদারতার সুযোগ নিয়ে সেই জন বিস্ফোরনকে ছুরি মারতে আবারও ভীড়ে থাকবে বাম দুর্গে পুততুন্ডু ভটতাচার্যদের মত আর কত নামে কত পরিচ্ছদে। কিন্তু বাংলা তথা ভারতের এই ভয়ানক বিপদকে তারাও এড়াতে পারবে না।তারা শেষ হবে হয় জনতার রোষানলে আর নয়তো ধর্মীয় ফ্যাসীবাদেরই হাতে। এটা বুঝতে তাত্ত্বিকতার দরকার নেই। গেঁয়ো অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট।" কাজের সময় কাজী। কাজ ফুরোলেই গামছা কাঁধে কিষানজী।"এ প্রবাদ তৃনমূল আর লিবারেল দুজনের ক্ষেত্রেই অবধারিত। রইল পড়ে ব্যাপক জনতা আর কম্যুনিস্ট পার্টী।পরবর্তী অধ্যায় রচনা করবেন যাঁরা।করবেনই।করতেই হবে।কারন মানুষ কখনও নিরাশ্রিত থাকেন না। জঙ্গলে থাকলেও বটবৃক্ষ খুঁজে নেন। এর ই নাম দ্বান্দিক প্রগতি।[ সাবধান। থার্ড ওয়েভ আসছে]শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।৩রা জুন। ২০২১।বেহালা। কলকাতা।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment