Saturday, June 5, 2021

এ পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় আতঙ্কের শেষ কোথায়?

অনেক অনেক অনেকটাএগিয়ে গেছে এই প্রথম পছন্দ বিচ্ছিন্নতা এবং আতঙ্ক। (সুত্র -মৈনাক সেনগুপ্ত। বিশিষ্ট নাট্য ও সমাজ কর্মী)
 অনেক অনেক টা। অনেক অনেক দেরী করে ফেলেছি বোধ হয় আমরা এই ভয়ানক আক্রমনের বিরুদ্ধে মানুষকে সজাগ এবং সক্রিয় করে তুলতে। শিক্ষালয়,পরীক্ষা ব্যবস্থ্যা,খেলাধুলো শরীর চর্চা,থিয়েটার,সিনেমা,প্রত্যক্ষ সেমিনার,আলোচনা সভা কবিতা পাঠ সব বন্ধ করে মানুষের মস্তিষ্কে ওরা এই আতঙ্ক প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। সাথ দিয়েছে  দালাল বানিয়া অসভ্য, দেশের এবং মনুষ্য জাতির কলঙ্ক "মিডিয়া"। "মরনটাই যেন সত্যি " প্রচার করে। তাই অভিভাবকরাও চাইছেন না স্কুল কলেজ খুলুক। বাজার হাট বসুক স্বাভাবিক ভাবে। আমাদের যাপনেও আমরা "ভয় নেই ভয় নেই" বলেও ওই আতঙ্ককেই বয়ে বেড়িয়েছি। বেড়াচ্ছি। কারন পেছটান। আতঙ্কটা আজ মস্তিষ্ক সমাজের। দেহ গুলো অপারগ।  এটা যে বহু পরিকল্পিত বয়ে আনা আতঙ্ক,রাজনৈতিক আতঙ্ক এই সত্যটা কোথাও যাপনে বা প্রচারে বামপন্থীদেরও ভূমিকা আকর্ষনীয় নয়।আজ শ্মশান জনপদে শুধু "ছিলাম" এর আওয়াজ। "এই তো আছি"  সেই সদর্ভ  উপস্থিতি যেন আজ রূপকথা। এরই মাঝে পার্টীর নেতৃত্বে "রেড ভলান্টিয়ার্স রা " একটা নতুন ভাষা।নতুন রূপ।দাঙ্গা মহামারীর সময়ে অবিভক্ত কম্যুনিস্ট পার্টীর মানুষকে বাঁচানোর এবং মানুষের মধ্যে কম্যুনিস্ট পার্টীকে বাঁচিয়ে রাখার যে একদা অধ্যায় বলা যায় রেড ভলান্টিয়ার্স  তার পুনঃস্থাপন।অবশ্যই  যথোপযুক্ত।কিন্তু আক্রান্ত মস্তিষ্ক কে সম্পূর্ন নিরাময় করতে নয়। তবে পথ কি? জানি না। তবে মানি অবাধ্যতার ঢেউ,বাধা ভাঙার দুর্জয় সাহস ও গাঢ় অন্ধকারের প্রাচীরে ছিদ্র চেনায়। দেখায় ওপাড়ে আলো নিশ্চয়।
[এ পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় আতঙ্কের শেষ কোথায়? 
বিচ্ছিন্নতায়,বন্দী জীবনে? না মুক্তির লক্ষ্যে অবাধ্যতার ঢেউ তোলা? ভাবছেন কি কেউ? কেউ?] 
  শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
৫ ই জুন।শনিবার। দুপুর আড়াইটে। ২০২১।

No comments:

Post a Comment