Saturday, June 5, 2021

মাননীয়া যশোধরা বাগচি,রেড ভলান্টিয়ার্স, এবং ঘন্টা সুমন প্রসঙ্গে

 "আমাদের ছেলে এবিপি তে দারুন বলেছে" বলে এত উদবাহু নৃত্য করি কেন? ঘৃনার সঙ্গে প্রত্যাখ্যানের সাহসও তো দেখিনা। দেখিনা কারন আমাদের কোন বিকল্প নেই। অথচ আমার বিশ্বাস এ বিকল্প বামেদের সহজাত। অ ব্যাবহারে তার নির্ভরশীলতা প্রশ্ন সাপেক্ষ। কিন্তু ছিল। তখনও মিডিয়া ছিল না আমাদের। ফারাক হল, কম্যুনিস্টরা মানুষের মাধ্যমেই বৃহত্তর মানুষে পৌছাতেন। তাই জনসংযোগ ছিল পাহাড়ের মত সু উচ্চ। বৃক্ষের মত প্রথিত। আর এখন? বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে " মিডিয়া  নির্ভরতায় ভুগি, যেখানে মানুষের উত্তাপ  ওম থাকে দূরে।বহু দূরে। তাই বাষ্পায়িত হন তারা।তপ্ত না। যেমন পার্থক্য থিয়েটার আর সিনেমার মধ্যে। থিয়েটারের মানুষ থাকেন নিত্য ছোঁয়া।আর সিনেমার টা বায়বীয়। তাই থিয়েটারের মানুষ যত সহজ যত সহজ বোধগম্য সিনেমার তা নয়। একজন অভিনেতা হিসেবে ক্রমাগত তিনটে মাধ্যমে কাজ করে এই সত্য উপলব্ধিতে  আমি নির্দ্বিধ। সিনেমায় লোককে মানুষ ভাবেন দূরের রূপকথার কেউ।কিন্তু থিয়েটারের মানুষটা নিত্য। প্রচারেও দেখেছি "সেলিব্রিটি " র পোশাকে এই দূরের সাজানো মানুষজন নিয়ে ইদানীং রাজনৈতিক দলগুলোর নক্কারজনক হ্যাঁঙলামী। আর তাই দালাল মিডিয়া সুযোগ পায় আমাদের দেওয়ালে ছিদ্র তৈরী করতে। অধুনা কমরেড তন্ময় এর মত পোড় খাওয়া নেতা তার প্রমান। শত্রু নির্বাচিত হলে চরমতম ঘৃনাই তার প্রাপ্য। নচেত ঐ" আমার যেমন বেণী তেমনি রবে চুল ভেজাবো না"র মত দুর্বল  দীঘি ওরা নয়। বছরে একটা দুটো ওতে ডোবেই।পার্টীর লাইফ বেল্টেও বাঁচে না।তাই বলি আগে নিজেদের শানিত করি বরং। পরে তর্জনী তোলা যাবেখন। ওরা থাকবে না। থাকবেন কম্যুনিস্ট রাই। এবং শুধুই কম্যুনিস্ট পার্টী তা সে যে নামেই হোক।আমি নিশ্চিত।
[ মাননীয়া যশোধরা বাগচি,রেড ভলান্টিয়ার্স, এবং ঘন্টা সুমন প্রসঙ্গে]
শ্যামল।শপথ।কলকাতা।

No comments:

Post a Comment