সুব্রত এক ই মশলা কি সব পাকে লাগে? নিজেই পড়ে দেখ। আমার প্রশ্ন।বিশ্ব ইতিহাসে কম্যুনিস্টদের এই বাধাও পেরোতে হয়েছে। বুদ্ধিজীবীরা ছুরি নিয়ে কম্যুনিস্ট খুনে মেতেছে এ নজীরও আছে। আমার প্রশ্ন ছিল ভিন্ন। নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে রেখে বিরোধিতা করা আর সরকারকে শক্তিশালী করা একই। কাজ করলে ভুল হবে। ঠিকও হবে। বরং অপন্ডিতি ভাষায় বলা যায় "ঠিক" টায় পৌছতে বহু "ভুল" ও পেরোতে হয়। ভুলগুলোকে যাঁরা প্রকট করে প্রচার করেন, করেন বিশেষ উদ্দেশ্যেই।এবং সে উদ্দেশ্য র প্রথম এবং প্রধান কাজ ১) কম্যুনিস্ট তথা বাম নেতৃত্বের(ভাম নয়) "ঠিক কাজ গুলোকে ফিকে করে দেওয়া,।অতি সাধারন করে দেওয়া।২) মানুষের স্মৃতি থেকে বামদের (এই সংবিধানের মধ্যে থেকেও) জনমুখী ঐতিহাসিক সাফল্যগুলোকে সরিয়ে দেওয়া
৩) বাম নেতৃত্বের মধ্যে ভগবান আর দানব তৈরী করে এবং কুৎসিত প্রচারে তাকে ব্যাপ্ত করে কম্যুনিস্ট পার্টীর শৃঙখলাকে প্রশ্নের সামনে নিয়ে আসা। যা অবান্তর কিন্তু বাজারী। কমরেড জ্যোতি বসুই তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
এবং এসবই করা হয় কম্যুনিস্ট মতাদর্শের প্রসারে এবং প্রচারে মার্ক্সের জামা পরেই।
আরও বিস্তৃত আলোচনার অবকাশ আছে। তবে পার্টী যখন উদবিগ্ন এবং স্বাভাবিক কারনেই দেশ এবং রাজ্য নিয়ে।দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে, নিরাপত্তা দেশের স্বাধীনতার সংবিধানের, মানুষের রুটী রুজি শিক্ষা স্বাস্থ নিয়ে তখন পার্টীকে সংহত করে তুলতে হলে মানুষের পক্ষে তাঁদের কাজ, সংবিধানের প্রয়োগ,এবং ধর্মীয় ফ্যাসীবাদের বিরুদ্ধে গনতান্ত্রিক সংগ্রামকে সংগঠিত করতে নিজেদের ছোট্ট কিন্তু প্রয়োজনীয় ভূমিকা গ্রহন করে মানুষকে বিজয়ে বিশ্বাসী করে তোলাই প্রকৃত কম্যুনিস্ট মতাদর্শীদের প্রাথমিক কর্তব্য। লক্ষ্য করছি নির্বাচনের ফলাফল টাকেই নির্নায়ক করে পার্টীকে পার্টী শুন্য করার একটা প্রবনতার প্রসার ঘটাতে বোরখা ধারী কিছু প্রতিক্রিয়াশীল জমা হচ্ছে।নজর রাখছি। জানি তোমার আদর্শের প্রতি প্রেম হয়তো তোমাকে ক্ষুব্ধ করেছে। কিন্তু সুব্রত আবেগকে বুদ্ধি দিয়ে পরিচালনা যেমন বড় স্রস্টার কাজ ঠিক তেমন ই কম্যুনিস্ট ভাবাদর্শে বিশ্বাসীদেরও কাজ।। আবেগেই " বাম" ভাম হয়। যাতে না হয় তার জন্য সতর্কতাই বোধ হয় শিক্ষা। দেখা হলে কোথাও কথা হবে। ভাল থেকো।
[ ভাল কম্যুনিস্ট খারাপ কম্যুনিস্ট?হয়?]
বন্ধু সুব্রত কাঞ্জিলালের মন্তব্যের প্রেক্ষাপতে]
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
৮ ই জুন। ২০২১।
No comments:
Post a Comment