বিশ্বরূপ, বাড়ীর বয়স্কদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে কি বাড়ীর কর্তা বনা যায়? কোথা থেকে শিখলেন এই অসভ্যতা? কি জানেন পার্টীর এই নিবেদিত প্রান কমরেডদের জীবনের ত্যাগ তিতিক্ষার ইতিহাস? কি জানেন এঁদের ওপর শাসকের সন্ত্রাস নির্যাতনের কাহিনী?জানেন কি এঁরা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত জীবনে এবং পারিবারিক ঐতিহ্যে শীর্ষস্থানীয়।কিন্তু তবু মানুষের সংগ্রামে সাথী হতে মার্ক্সবাদে দীক্ষিত এই বর্তমানের বয়স্ক নেতৃত্ব নিজেদের যৌবনকে বলি দিয়েছেন বহু বহু তরুন যৌবন আর তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত তৈরী করতে। দেশকে শৃঙখল মুক্ত করে প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ এনে দিতে। একজন কমরেড মানে জনগনের এগিয়ে থাকা অংশের একজন। এই এগিয়ে আসতে তাঁদের প্রত্যেককে আসতে হয়েছে কঠিন অগ্নি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। পার্টী কোন গেষ্ট হাউস নয় যে যে কেউ আস্তে পারে,থাকতে পারে,আবার স্ব ইচ্ছায় চলে যেতে পারে। এটা একটা বিপ্লবের আখড়া এখানে নতুন প্রজন্ম তৈরী হয় পুরোন কমরেডদের হাত ধরে পার্টী এবং সামাজিক শিক্ষার মধ্য দিয়ে। এটা কম্যুনিস্ট পার্টী। এই পার্টীতে বাচালতা অসভ্যতা,অশ্লীলতা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। জানিনা আপনি কোথায় কোন স্তরে আদৌ পার্টীর কোন অংশের সাথে সভ্য বা সমর্থক হিসেবে যুক্ত কি না? শুধু জেনে রাখুন এই পার্টীর একজন সাধারন সমর্থক হতে গেলেও তাঁকে অলিখিত ভাবেই এইসব স্বেচ্ছা অনুশাসনের অনুগত হতে হয়। আর তাই এই পার্টীতে সভ্যদের সাথে সাথে সমর্থকদেরও গুরুত্ব আর সম্মান থাকে। সে সম্মান রক্ষা করার দায়িত্ব যার যার নিজের। ফারাক এই যে এই অনুশাসন ভাঙলে সভ্য সভ্যা তাঁরা যে স্তরেরই হন না কেন হন "বহিষ্কৃত"।আর সমর্থকদের বহিষ্কার সমর্থকরা নিজেরাই করেন। বহিষ্কৃত সদস্যের ফিরে আসার সুযোগ আছে নিজের শুদ্ধিকরন ঘটিয়ে।কিন্তু স্ব বহিষ্কৃত সমর্থক আর সে সুযোগ পান না।কারন একমাত্র পার্টীর ঘোষিত কর্মসূচীতে নিয়ত অংশ গ্রহনের মাধ্যমেই বহিষ্কৃত সভ্যরা আবেদন করে ফেরার সুযোগ পান। স্বঘোষিত সমর্থকেরও সে সুযোগ থাকে। কিন্তু তফাত হয়ে যায় আগ্রহে আর যাপনে। পারলে নিজেকে চিহ্নিত করুন।নইলে সোস্যাল মাধ্যমকে ময়লা কগজের পরিত্যক্ত বাক্স তৈরী করবেন না। এই আবেদন সমস্ত সমর্থকদের৷ জন্য।
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ।বেহালা।
৭ ই জুন।২০৮১।
[আবেদন সমর্থকদের প্রতি]
No comments:
Post a Comment