মানুষ ই শেষ কথা বলেন ।না । এটা কোনো তত্ত্ব কথা নয় । এটা প্রমানিত সত্য । মানুষের ওপর যে কোনো শাসকের চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় তাই শেষ পর্যন্ত মানুষই প্রতিহত করেন । মার্ক্সবাদীরা এই মতাদর্শে স্থির বলেই বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদ এবং পুঁজিবাদীদের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মোকাবেলা করে পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনের প্রয়াসে অবিরত এবং আস্থাশীল । চীন ,পূর্বতন সোভিয়েত, ভিয়েতনাম ,কিউবা ,ভেনেজুয়েলা,প্রভৃতি আরো অনেক দেশ তার প্রমান । তাই পুঁজিবাদীদের প্রধান শত্রু মার্ক্সবাদ। লড়াইটাও স্বাভাবিক কারনেই কম্যুনিস্টদের সঙ্গে বাজারীদের । মানুষকে বিভ্রম ঘটাতে ওরা তথাকথিত গনতন্ত্র ( আসলে যা শুধু ওদের লুঠের গনতন্ত্র) ,উন্নয়ন ( আসলে যা শুধু লুঠেরাদের উন্নয়ন) এইসব মনমোহিনী "দস্তানা" পরিধান করে । কখনো কখনো ওরা সাময়িক ভাবে জেতেও । যেমন পুরনো সোভিয়েত ,পুরোনো পূর্ব জার্মানি ,রোমানিয়া থেকে এই হালে ব্রাজিল। মজা হল খোদ আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদের অভ্যন্তরেই আজ বেকারী ,দারিদ্র্য ,নিরাপত্তাহীনতা সেখানকার মানুষদের গ্রাস করছে ।অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা আজ টালমাটাল । গোটা ইওরোপ জুড়েই আজ পুঁজির সংকোট চরমে। কিন্তু প্রচার মাধ্যমগুলি সেই প্রচারে উদাসীন ।কারন তাদেরও মূল শত্রু মার্ক্সবাদ এবং কম্যুনিস্ট পার্টী ।তাই যে রাস্ট্রগুলি সাম্রাজ্যবাদের মোকাবেলা করে মার্ক্সবাদী ভাবধারায় তৃনমূল স্তর থেকে যথার্থ উন্নয়নে নিমগ্ন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে চালায় লাগাতার " দারিদ্র আর অসহায়ত্বের" ভুয়ো প্রচার। মানুষকে পুঁজিবাদে ফেরাতে পুঞ্জীবাদী ভোগবাদকে করে তোলে রঙ্গীন । তাই এ সংঘর্ষ চলবেই যতদিন না পাশাপাশী অনেক রাস্ত্র " সমাজতন্ত্র" কায়েম করে ।আর সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচারও চলবে ।তবু বিজ্ঞান কে পথভ্রস্ট করে কে?।সারা পৃথিবীতেই একদিন সমাজতন্ত্র কায়েম হবেই এবং তারপর শ্রেনীহীন সীমানাহীন রাস্ট্রহীন এক নতুন পৃথিবী ,মার্ক্সবাদের শেষ উত্তরমালায় । মুখ আর মুখোশের ,হাত আর দস্তানার প্রতিদিনকার লড়াইয়েই মানুষ মুখোশ ছিঁড়ে মুখ ,আর দস্তানা ছিঁড়ে সত্যি হাতের তালু দেখবেনই ।আজ না হয় কাল । (ক্রমশঃ)
No comments:
Post a Comment