ভারতবর্ষে বর্তমান রাজনীতি আবর্তিত "জোট রাজনীতিতে"। এটাও মার্ক্সবাদী বিশ্লেষন এর অবধারিত পর্যায় । এই পর্যায়তেও নেতৃত্বে থাকতে হবে মার্ক্সবাদীদেরই । তাই শ্রেনী দৃস্টিভঙ্গীর নিরিখে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে লক্ষ্যে পৌছতে মার্ক্সবাদীদের হতে হবে তীক্ষ্ণ ও কৌশলী । আজ দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু বি জে পি তথা আর এস এস । তাই সমস্ত বিরোধিতার মুখকে ধারালো করতে হবে ওদের বিরুদ্ধে এবং ওদের সহযোগী দলগুলোর বিরুদ্ধে ।যেমন পশ্চিমবঙ্গে " তৃনমূল"। তাই প্রাথমিক ভাবে লুঠ হওয়া গনতন্ত্র রক্ষাকে পাখীর চোখ করে বন্ধুর সংখ্যা বাড়াতেই হবে । শত্রু যখন মানুষের কাছেও চিহ্নিত তখন বন্ধু নির্বাচনে খানিকটা প্রশস্ততাও যেমন জরুরী তেমনই জরুরী তীক্ষ্ণ সতর্কতা । কারন শাসকও নিজের শক্তি বাড়াতে "জোট" কেই হাতিয়ার করতে সচেষ্ট ।এমনকি প্রয়োজনে বি জে পি বিরোধী সেজেও মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আসলে এরা গনতন্ত্র রক্ষার জোট কেই ভাঙতে বদ্ধ পরিকর । নিরন্তর আন্দোলন সংগ্রাম এবং নিবীড় জনসংযোগে এই চক্রান্তের জাল ছিন্ন করে গনতন্ত্রের পতাকাকে তুলে ধরতে হবে । পাশা পাশি বহু যুদ্ধে শানিত বামফ্রন্টকে অর্থাৎ বামফ্রন্টের মধ্যের রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বন্ধু নির্বাচনে মতৈক্যে পৌছতে চিরাচরিত ধারনায় নিজেদের অবরুদ্ধ না করে বাস্তব দৃস্টিভঙ্গীর পরিচয় রাখাটাই জরুরী । বন্ধু বা সঙ্গী নির্বাচনে সামান্যতম ভুল এই পরিস্থিতিকে জটীল করে তুলতে পারে । মনে রাখাটা জরুরী --দেশের দাবী ই বাস্তবতা ,নিছক দলীয় দাবী নয় । আর রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা সংগ্রাম আমাদের দেশে বহুধা এবং দীর্ঘস্থায়ী । তাই এখনটাই শেষ নয় । কথাগুলো তুললাম কারন উল্লিখিত সবকটা শুভ এবং অ-শুভ গনতান্ত্রিক জোটের পক্ষে এবং বিপক্ষে চারিত হোচ্ছে ।এবং বাজারী সংবাদ মাধ্যমগুলিও কোমর বেঁধে নেমেছে গনতান্ত্রিক জোট সম্পর্কে মানুষকে হতাশ এবং অবিশ্বাষী করে তুলতে । যেমন এ রাজ্যে তৃনমুলের বিকল্পে বি জে পি কে তুলে ধরে মার্ক্সবাদীদের অগ্রগতিকে অস্বীকার করা । তবে এত চক্রান্তের পরেও শ্রমিক কৃষক সাধারন মানুষ ছাত্র যুব মহিলারা লাখে লাখ সোচ্চার মার্ক্সবাদী কম্যুনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে তথা বাম ফ্রন্টের নেতৃত্বে । নবান্ন অভিযান,সিঙ্গুর থেকে রাজ ভবন অভিযান ,দিল্লীর লাখে লাখ কৃষক সমাবেশ , সারা ভারত শ্রমিক ধর্মঘট গুলি প্রমান করছে বাম ও গনতান্ত্রিক শক্তির দুর্বার উত্থান এবং মার্ক্সবাদীদের অবশ্যম্ভাবী নেতৃত্বের । তাই বামেদের জোটকে হতে হবে নিশ্ছিদ্র । দেশ পরিবর্তনের এক সন্ধিক্ষনে এসে দাঁড়িয়েছে এবং আমাদের সবার দায়িত্ব আছে দস্তানার নীচে লুকোনো কালো রক্তখাগী হাতগুলোকে উন্মুক্ত করে দেওয়ার ।দেশকে ,রাজ্যগুলিকে ,সমাজকে বিপন্মুক্ত করার । ধর্মের দস্তানায় লুকোন কর্পোরেট হাত গুলিকে ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেবার । মনে রাখুন ,বাঁচার ইচ্ছেটা প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন আমাদের প্রত্যেকের ।উপায়টা লড়ায়ের ময়দানেই নিরূপিত হবে--অবশ্যই মারক্সবাদীদের নেতৃত্বে । আশা রাখছি সাফল্যের । ধন্যবাদ । লাল সেলাম । (আপাতত এইটুকুই) ।
Hello sir,
ReplyDelete