Tuesday, June 1, 2021

চলে গেলেন আমার অচেনা কিন্তু গোটা বীরভূমের চেনা, দক্ষ ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার, প্রসিদ্ধ গায়ক,মেতে থাকা নাট্য পরিচালক।গ্রামের আটচালায় পাঠশালা বসানো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নে বিভোর৷ নাটকের পটূয়া মাননীয় অশোক। বাবু নয়। দা।দাদা।অশোকদা।-শপথের শ্রদ্ধার্ঘ

অনামী প্রতিমা শিল্পী এমন বহু আছেন সারা বাংলায় যাঁরা শহুরে ভাষায় 'স্যার"হন না। কিন্তু থেকে যান থিয়েটারের আটচালাতেই  পাঠশালার রেওয়াজে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার স্বপ্নে নিবিড়ভাবে তুলি ধরে চক্ষুদানে। সমবেদনা জানাই বন্ধুকে, ছাত্রদের,এবং উনার স্বজনদের। না আমার সাথে কোন পরিচয় ছিল না। নামও শুনি নি কোথাও। আসলে চেনা  শোনার জগৎ টাইতো সংকীর্ণ  বহু।মজে থাকি আত্ম প্রচারে।কিন্তু যে গাছ ফল দেয় সে তো নিজের পরিচিতি রেখেই যায়। ফল থেকে বীজ হয়। বীজ থেকে আবার বৃক্ষ। তাই পাঠশালা বিশ্ববিদ্যালয়ের  ক্ষয় নেই। ওটাই থিয়েটার এর স্থপতি। নমস্কার নেবেন৷
[ চলে গেলেন আমার অচেনা কিন্তু গোটা বীরভূমের  চেনা, দক্ষ ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার, প্রসিদ্ধ গায়ক,মেতে থাকা নাট্য পরিচালক।গ্রামের আটচালায় পাঠশালা বসানো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নে বিভোর৷ নাটকের পটূয়া মাননীয় অশোক। বাবু নয়। দা।দাদা।অশোকদা। শপথের শ্রদ্ধার্ঘ।] 
শ্যামল ভট্টাচার্য।শপথ। কলকাতা। 
১ লা জুন ২০২১।

রাজনৈতিক জোট না নামের জোট?জোট অপরিহার্য না

যুদ্ধ বাকি। পথও দীর্ঘ।নেতৃত্বকে দায়ী করে করে ক্ষত বিক্ষত করার আগে নিজেদেরও ক্ষত বিক্ষত করি আসুন। পার্টী সিদ্ধান্ত্ব যখন জরুরী প্রয়োজনে এখনি জোট (যে নামেই হোক তা) তখন তা কার্যকরী করতে আমি আমরা আমাদের এলাকায় কতটা সরব থেকেছি। পার্টীকে প্রশ্ন করার সময় আছে। বিরোধিতা করারও।কিন্তু যুদ্ধের সময় সেনাধ্যক্ষের আদেশ বা নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করাই প্রত্যেক্টা সৈনিকের অবশ্য কর্তব্য। তা কি আমরা সবাই দ্বিধাহীন  ভাবে মেনেছি? কোরেছি? এবার সময় আছে আলোচনার। আমি একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে এই দেওয়ালেই সে বিষয় উত্থাপন করেছি।অংশীর সংখ্যা বাড়লে পার্টীর উপকার হবে।আর পার্টী  কোন ব্যক্তি নয়। পার্টীটা আমাদেরই পরিবার।আমাদের হাতে শ্রমে স্বপ্নে গড়া একটা নিটোল আশ্রয়। এই আশ্রয়টা যত শক্তিশালী হবে ততই নিশছিদ্র হবে আমাদের সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের সব রকমের নিরাপত্তা।নিরাপত্তা স্বাস্থ্যের,শিক্ষার,কর্মের,নারী
মুক্তির, শিল্পের,কৃষির সংস্কৃতির, নিরাপত্তা দেশের। দেশের অধিকাংশ মানুষের। তাই আসুন। হাত বাড়ান।
[ রাজনৈতিক জোট না নামের জোট?
জোট অপরিহার্য না

প্রতিরোধের মূহুর্তেই চেনা যায়, বন্ধু পাড়া পড়শী, প্রতিবেশীদের-তত্ত্বে কিংবা বকবকানিতে নয়

বাড়িতে আগুন। অপেক্ষা নির্দেশের? আঘাত থেকেইতো প্রত্যাঘাত।আঘাত কে সইতে হলে প্রত্যাঘাত ও স্বাভাবিক। এ তো বিজ্ঞানের শর্ত। এর আবার "ডাক" লাগে নাকি? শর্ত্তগুলোকে একজোট করে বিস্ফোরণের আকার দেওয়া সংগঠনের কাজ। অবহেলা করলে বা অনুধাবন করতে না পারলেই ঘটে যায় নিজেদের সামর্থ মতই। সেটাও কম নয়। কিন্তু সমগ্র নয়।  পরে যাঁরা নিজেদের বিদ্বান বা শিক্ষিত ভেবে ভূয়ো গর্বে খানিক পাঁচ সাত বক বক করি ",কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল,কোনটা সন্ত্রাস,কোনটা প্রতিরোধ বা কোনটা প্রতিরোধের নামে সন্ত্রাস আর কোনটা সন্ত্রাসের মাধ্যমেই প্রতিরোধ" তাতে আক্রান্তদের কোন সুরাহা হয় না।বস্তুতঃ তাঁরা এসব কূটকচালীর বিশেষ মূল্যও দেন না। কারন তাঁরা অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝেন যা করনীয়, যা না করলে তাঁদের সন্তান সন্ততিদের রক্ষা করা যেত না, ঠিক সেটুকুই তাঁরা করেছেন। বেশ করেছেন। আবারও প্রয়োজন পড়লে আবারও করবেন। " উনাদের কাছে দেশী টোটকাই শিক্ষা।"লোহা গরম হলেই হাতুরির ঘা মারো।বানিয়ে নাও তোমার অস্ত্র।"।এটাই শাশ্বত। এভাবে এপথেই মানুষের অগ্রগতি।রূপান্তর। মানি আর নাই মানি,এই শ্রেনী ব্যাবস্থায় আঘাত আসবেই। আর প্রত্যঘাতও ঘটবে বার বার।বার বার। আমি স্বাগত জানাই সে প্রত্যাঘাত কে। কবিগুরুর শান্তিনিকেতন ও আজ আক্রান্ত।তাই প্রয়োজন প্রত্যাঘাত।আর এই প্রত্যাঘাত থেকে মুখ ঘুরিয়ে যাঁরা তত্ত্বর আড়ালে মুখ লুকিয়ে বুদ্ধিজীবি সাজবেন তাঁদের কবিই বলে গেছেন,"ওরে ভীরু।তোমার হাতে নাই ভুবনের ভার।ওরে ভীরু।"।
[প্রতিরোধের মূহুর্তেই চেনা যায়, বন্ধু পাড়া পড়শী, প্রতিবেশীদের। তত্ত্বে কিংবা বকবকানিতে নয়]
 ১লা জুন ২০২১। বেহালা। কলকাতা ৬০।
শ্যামল ভোট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।

Sunday, May 30, 2021

" জানতে চাইলেই জানা যায়।অন্ধতায় নয়"

অসাধারন।পন্ডিতেরা যে ব্যাখ্যাই হাজির করুন ধর্মের নামে যুগে যুগে ভারতের এবং বিশ্বেরও সমস্ত সৃষ্টির মহানায়ক শ্রমিক।শুধুই শ্রমিক শ্রেনী। শিক্ষা তাঁদের অভিজ্ঞতা। প্রকৃতিকে জেনে বুঝে তাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের যে সৃষ্টি তাতে মানুষের মধ্যে কোন জাতি বা লিঙ্গ ভেদের প্রভেদ ছিল না। তাঁরা সেদিনও ছিলেন অনুচ্চারিত, আজও তাই। অপরের শ্রম, উদ্ভাবন শক্তি আত্মস্মাৎ করেই  একটা ক্ষুদ্র অংশ শাসক সেজে সব লুঠ করে সে সবের মালিক সেজেছে।আর ভাড়া করা ক্ষুন্নিবৃত্তির চাটুকারদের ঐতিহাসিক সাজিয়ে তা লিপিবদ্ধ করে প্রচারে স্থায়ী করেছে। কার্ল মার্ক্স মূলের এই জায়গাটাতেই আঘাত হেনে চিনিয়েছেন পৃথিবীর মহান রূপকারদের।এবং দাবী করেছেন করতে শিখিয়েছেন "এবং তাই পৃথবীটা বেশী মানুষের। অল্প কজন শাসকের নয়। পুঁজি,শ্রম,সম্পদ,আর মুনাফার  বেড়াজালে আবদ্ধ যে মানুষের শ্রম তার মুক্তিই মানুষের প্রকৃত মুক্তি। এবং তাই আজ ও মার্ক্সবাদ অপরাজেয়।
[বন্ধু চন্দ্র শেখর এর কেদার এবং সংলগ্ন মন্দির গুলির বৈজ্ঞানিক অবস্থানের বিবরনের প্রসঙ্গে।
" জানতে চাইলেই জানা যায়।অন্ধতায় নয়"।]
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
বেহালা।কলকাতা ৬০।
২৯ শে মে। ২০২১।

বন্ধু তোমার পথের সাথিকে চিনে নিও- শ্যামল ভট্টাচার্য

একদম সময়োচিত,যথার্থ এবং আত্মবিশ্বাসী পর্যবেক্ষন। তোমার আমার মত সমর্থকদের দায় আছে। লিখিত দায়িত্ব নেই।তবু আমরা সে দায়িত্ব বহন করি আমাদের মতন করে। না করলেও বোধ হয় চলে। এবারের নির্বাচনে বীভৎস ঝিঙ্কু ড্যান্স, সেলিব্রিটির পেশী দেখানো ইত্যাদি আরও অনেক কিছুর উপস্থাপন,এবং পার্টী নেতৃত্বের সে সবের পক্ষে সওয়াল এবং সমর্থন দেখিয়ে দিয়েছে, যেন আধুনিকতায়,চট জলদী চমক বিনোদনে" দিন বদলের পালা" র দিন অস্তমিত। এখন নাকি মানুষ এটাই চান।তাই গোটা নির্বাচনে শুধু নির্দিস্ট দিনে নিজের বা নিজেদের ভোট টুকু দেওয়া ছাড়া আর কোন কাজ ছিল না।এমনকি বহু আগেই নিজেদের উদ্যোগে "ঘন্টা খানেক সঙ্গে শপথ" পথ নাটক নিয়ে পথে নেমেও এবং সর্বস্তরে আবেদন রেখেও নিষ্ক্রিয় করে রাখা হল। আসলে জানি এ সবই  স্বল্প সময়ের মধ্যেই পর পর ঐতিহাসিক ভুলগুলো করার পর দিকভ্রান্ত হওয়ার নজীর।কিন্তু ক্ষতি হল মানুষের।সামনে  আবারও যুদ্ধ। ২০২৪ এ।জানিনা এ যুদ্ধে পার্টীর কৌশল কি? আসলে উনারা করেন।আমরা দেখি।আর যেহেতু বাম মানসিকতাতেই থাকি, তাই মূক শরিক হয়ে জিতলে দু হাত তুল নাচি।আর হারলে হতাশ হয়ে নিজেরাই নিজেদের বলি "জানি এই শুণ্যের কারন গুলির হয়তো কিছুটা।কিন্তু সেতো শুধু নিজেরা নিজেদের জানানো। উনাদের নয়। কেননা আমরা আম জনতা উনাদেরই চাই একথা উনাদের কাছে পৌছনোর উপায় নেই। উনারা আমাদের থেকে দূর। " কাছে থেকে দূর রচার"মধ্যেই বোধ হয় লুকিয়ে ছিল কোন নতুন নক্ষত্রের জন্ম কথা। অতএব প্রশ্ন নয়।অধিকারও নেই।তবুও করলে আছে তকমা " বিরোধী"। আর চুপ থেকে অপ্রতিক্রীত থাকলে " বন্ধু"।আর আমাদের থাকে দৃষ্টি আর পুরানো কথা সুর। তাই গেয়ে বেড়াই "বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিয়ো"। তবুও বলে যাবো বাকি যেটুকু বাঁচি " পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছো?"
[ বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিয়ো।]
শ্যামল ভট্টাচার্য। শপথ। কলকাতা।
৩০ শে মে। ২০২১।
বেহালা। কলকাতা ৬০।

স্মরণে কমরেড বিউটি দাস

কত ফুল এভাবেই ঝরে যায় রোজ।
হিসাব কে আর রাখে তার?
যা থাকে তা নিয়েই মেতে থাকি রোজ
মেলে না যাওয়ার উত্তর।
শুনি নারী পুরুষ কত কণ্ঠে শহর থেকে গাঁ
"এই যে শুনুন ----
আমরা বাঁচতে চেয়ে ছিলাম"
একা নয়।সবাই মিলে।সবাইকে নিয়ে। তবু--
কেন একা করে দিলে হায়?
"স্মরনে শ্যামল"
[চলে গেলেন এক কম্যুনিস্ট পরিবারের যোদ্ধা
কমরেড বিউটি দাস] 
"" লাল সেলাম বোন।"


Saturday, December 1, 2018

দস্তানার চরিত্র--৯ এর পর দস্তানার চরিত্র--১০

ভারতবর্ষে বর্তমান রাজনীতি আবর্তিত "জোট  রাজনীতিতে"। এটাও মার্ক্সবাদী বিশ্লেষন এর অবধারিত পর্যায় । এই পর্যায়তেও নেতৃত্বে থাকতে হবে মার্ক্সবাদীদেরই ।  তাই শ্রেনী দৃস্টিভঙ্গীর নিরিখে  মানুষকে সঙ্গে নিয়ে  লক্ষ্যে পৌছতে মার্ক্সবাদীদের হতে  হবে তীক্ষ্ণ ও কৌশলী ।  আজ  দেশের  সবচেয়ে বড় শত্রু বি জে পি তথা আর এস এস । তাই সমস্ত বিরোধিতার মুখকে ধারালো করতে হবে ওদের বিরুদ্ধে এবং ওদের সহযোগী দলগুলোর বিরুদ্ধে ।যেমন পশ্চিমবঙ্গে " তৃনমূল"। তাই প্রাথমিক ভাবে লুঠ হওয়া গনতন্ত্র রক্ষাকে  পাখীর  চোখ  করে বন্ধুর সংখ্যা বাড়াতেই হবে । শত্রু যখন মানুষের কাছেও চিহ্নিত তখন বন্ধু নির্বাচনে খানিকটা প্রশস্ততাও  যেমন  জরুরী তেমনই জরুরী তীক্ষ্ণ সতর্কতা । কারন  শাসকও নিজের  শক্তি  বাড়াতে "জোট" কেই হাতিয়ার করতে সচেষ্ট ।এমনকি প্রয়োজনে বি জে পি বিরোধী সেজেও মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আসলে এরা  গনতন্ত্র রক্ষার জোট কেই ভাঙতে বদ্ধ পরিকর । নিরন্তর আন্দোলন সংগ্রাম এবং নিবীড় জনসংযোগে এই   চক্রান্তের জাল  ছিন্ন করে  গনতন্ত্রের পতাকাকে তুলে ধরতে হবে । পাশা পাশি বহু যুদ্ধে শানিত বামফ্রন্টকে অর্থাৎ বামফ্রন্টের মধ্যের রাজনৈতিক দলগুলির  মধ্যে বন্ধু নির্বাচনে  মতৈক্যে  পৌছতে চিরাচরিত ধারনায়  নিজেদের অবরুদ্ধ না  করে বাস্তব দৃস্টিভঙ্গীর  পরিচয় রাখাটাই জরুরী । বন্ধু বা সঙ্গী নির্বাচনে সামান্যতম ভুল এই  পরিস্থিতিকে জটীল করে  তুলতে পারে । মনে  রাখাটা  জরুরী --দেশের দাবী ই বাস্তবতা ,নিছক দলীয় দাবী নয় । আর  রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা  সংগ্রাম আমাদের দেশে  বহুধা এবং  দীর্ঘস্থায়ী । তাই এখনটাই শেষ নয় । কথাগুলো তুললাম কারন উল্লিখিত সবকটা শুভ এবং অ-শুভ গনতান্ত্রিক জোটের পক্ষে এবং বিপক্ষে চারিত হোচ্ছে ।এবং বাজারী সংবাদ মাধ্যমগুলিও কোমর বেঁধে নেমেছে গনতান্ত্রিক জোট সম্পর্কে মানুষকে হতাশ এবং অবিশ্বাষী করে তুলতে । যেমন এ রাজ্যে তৃনমুলের বিকল্পে বি জে পি কে  তুলে ধরে মার্ক্সবাদীদের অগ্রগতিকে অস্বীকার করা । তবে এত  চক্রান্তের পরেও শ্রমিক  কৃষক সাধারন মানুষ ছাত্র যুব মহিলারা লাখে লাখ সোচ্চার মার্ক্সবাদী কম্যুনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে তথা বাম ফ্রন্টের নেতৃত্বে । নবান্ন অভিযান,সিঙ্গুর থেকে রাজ ভবন অভিযান ,দিল্লীর লাখে লাখ কৃষক  সমাবেশ , সারা ভারত শ্রমিক ধর্মঘট গুলি প্রমান  করছে বাম ও গনতান্ত্রিক শক্তির দুর্বার উত্থান এবং মার্ক্সবাদীদের অবশ্যম্ভাবী নেতৃত্বের । তাই বামেদের জোটকে হতে  হবে নিশ্ছিদ্র । দেশ পরিবর্তনের এক সন্ধিক্ষনে এসে দাঁড়িয়েছে এবং আমাদের সবার দায়িত্ব আছে দস্তানার নীচে লুকোনো কালো রক্তখাগী হাতগুলোকে উন্মুক্ত করে দেওয়ার ।দেশকে ,রাজ্যগুলিকে ,সমাজকে বিপন্মুক্ত করার । ধর্মের দস্তানায়  লুকোন কর্পোরেট হাত গুলিকে ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেবার । মনে  রাখুন ,বাঁচার  ইচ্ছেটা প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন আমাদের প্রত্যেকের ।উপায়টা লড়ায়ের ময়দানেই নিরূপিত হবে--অবশ্যই মারক্সবাদীদের নেতৃত্বে । আশা রাখছি সাফল্যের । ধন্যবাদ । লাল সেলাম । (আপাতত এইটুকুই) ।